মাঠে নেই বিএনপি-শক্ত অবস্থানে আ’লীগ- ভোলা-২

নীল রতন, বিশেষ প্রতিনিধি, আমাদের ভোলা.কম।

রাজনৈতিক দিক থেকে বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ আসন ভোলা-২। নির্বাচন এলেই সবার নজর, আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দু থাকে সংসদীয় এ আসনকে ঘিরে।অনেকের মতে এ আসনটিতে আ’লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় হেভীওয়েট নেতারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে স্বাধীনতা পরবর্তী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, ভাষা সৈনিক রেজা-এ করিম চুন্নু মিয়া, এরপর টানা কয়েকবার বর্তমান বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ছিদ্দিকুর রহমান, বিএনপি দলীয় সাবেক ধর্ম প্রতীমন্ত্রী মোশারফ হোসেন শাহজাহান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল-মামুনের ভাই হাফিজ ইব্রাহীম। সর্বশেষ ১৪ সালের দলীয় মনোনয়ন পায় বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভাতিজা আলী আজম মুকুল। ওই নির্বাচনে আনোর হোসেন মঞ্জু সমর্থিত জেপি প্রাথী মোঃ সালাউদ্দিন মিয়া কে বিপুল ভোটে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন তিনি। ২য় বার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়নয় নিশ্চিত করে এলাকায় এসেই দিন রাত মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও পূনরায় সদ্য মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল। ভোট কেন্দ্র কমিটি থেকে শুরু করে, দলয়ি কোন্দল দুরকরা, অভিমান করে দীর্ঘদিন দলীয়য় কার্যক্রম থেকে দুরে থাকা নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদেরকে কাছে টেনে নিয়ে উঠান বৈঠক সহ সকল কার্যক্রম চালাচ্ছেন। প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ভবিষ্যতের আশায় সংসদীয় আসন(বোরহানউদ্দিন-দৌলতখাঁন) এলাকায় প্রথমই ওয়ার্ড থেকে উপজেলা পর্যায়ে যোগ্য লোকদের সমন্বয়ে সকল কমিটি গঠনের কাজ সমাপ্ত করেন তিনি।অনেকের মতে বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ভাতিজা হওয়ায় তার কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও সহযোগীতা পেয়েছেন তিনি। এজন্যই তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। বোরহানউদ্দিন উপজেলা আ’লীগের সম্পাদক ও পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম জানান, আলী আজম মুকুল সাংসদ নির্বাচিত হয়ে এলাকায় রেকর্ড সংখ্যক সময় দিয়েছেন,দুই উপজেলায় আ’লীগের অত্যাধুনিক উপজেলা দলয়ি কার্যালয় নির্মান করার পাশাপাশি এলাকায় পূর্বের তুলনায় কয়েকগুণ উন্নয়ন কাজ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করে শক্ত অবস্থানে আছেন। অপরদিকে ২য় বার মনোনয়ন পাওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল- মামুনের বড় ভাই হাফিজ ইব্রাহিম কে এখন পর্যন্ত এলাকায় দেখা যায়নি। ভোলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে এলাকায় না এসে সেখান থেকেই ঢাকা ফিরে যান তিনি। সে কারণে দলীয় নেতা-কর্মরাও অনেকটা চুপচাপ রয়েছেন। তবে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সরোয়ার আলম খাঁন জানান, তারা অনেক আগেই ওয়ার্ড,ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটি সহ ভোট কেন্দ্র কমিটি প্রস্তুত করে রেখেছেন। নির্বাচনের মাঠ লেভেল প্লেয়িং সহ সুস্থ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি সহ নির্বাচনী প্রতিক বরাদ্ধ হলে তারা মাঠে নামবেন। এদিকে বিএনপি মাঠে না থাকলেও থেমে নেই নির্বাচনী আমেজ। ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। তাদের মতে আ’লীগ সমর্থীত প্রার্থী আলী আজম মুকুলের সাথে নির্বাচনে বিএনপি সমর্থীত প্রাথী হাফিজ ইব্রাহিমের ভোট যুদ্ধ হবে সমানে সমানে। কারণ হিসেবে তারা বলেন, দু’জনই এ আসন থেকে একবার করে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছে। এলাকা সম্পর্কে দু’জনেরই সমান অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুলাই    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।