চরফ্যাশনে ইউএনও অফিসের সহকারী মনির আলমের বিরুদ্ধে দুর্ণীতির অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি।

ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহকারী মনির আলমের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশদের টাকা আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও দাপ্তরিক অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ২১ ইউনিয়নে ২ শতাধিক গ্রাম পুলিশ কর্মরত রয়েছে। জানা যায়, এলাকার দূর্গম অঞ্চলে যাতায়াত বাবদ সরকারিভাবে ২শ গ্রাম পুলিশের ২২ মাসের ভাতা থেকে ২হাজার ৪শ টাকা করে ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ক্লার্ক মনির আলম কর্তৃক গ্রাম পুলিশের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। দুর্নীতির খবর মিডিয়ায় প্রকাশ না করতে শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে গণমাধ্যম কর্মীদের ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় তৎপরতা চালায় মনির আলম। গ্রাম পুলিশের অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, মাসিক ১২শ টাকা হারে ২২ মাসের ভাতা বাবদ ২৬ হাজার ৪ শত টাকা করে দেয়ার কথা থাকলেও চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহকারী মনির আলম ২শ গ্রাম পুলিশকে ২৬ হাজার ৪ শত টাকার স্থলে ২৪ হাজার টাকা প্রদান করে।

গ্রাম পুলিশদের প্রত্যেককে ২ হাজার ৪শ টাকা কম দেয়ার বিষয়ে মনির আলমকে জানতে চাইলে তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ১ হাজার, উপজেলা প্রকৌশলীর ১ হাজার, নিজ অফিস খরচ বাবদ ৪শত টাকা রাখা হয়েছে। গ্রাম পুলিশের ২শ চৌকিদার থেকে ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের কথা অস্বীকার করে তিনি আরও জানান কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া আমি গ্রাম পুলিশের কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন জানান, এই টাকা ব্যক্তিগতভাবে কেউ পকেটে রেখে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমার সহকারী গ্রাম পুলিশের টাকা রাখার অভিযোগ প্রমানিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এম আবু সিদ্দিক
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
০১৭১১১৯৮৬৭৬

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৪
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।