লালমোহনের নিখোঁজ কামাল মৃধাকে ফিরে পেতে স্ত্রী সন্তানের করুন আকুতি 

এম ইউ মাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি।
দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার চরকচ্ছপিয়ার মোঃ কামাল মৃধা ১৩ই নভেম্বর২০১৮ইং  সকাল ৬টা হতে নিখোঁজ রয়েছেন।তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।স্থানীয় সুত্রে সংবাদটি জানার পর সরেজমিনে প্রতিবেদক নিখোঁজ কামাল মৃধার মোহাম্মদপুরের বাসায় গেলে দেখা যায় তার স্ত্রী স্বামীর ছবি হাতে নিয়ে অপলক দৃস্টিতে তাকিয়ে আছেন।চোখে মুখে তার অনিশ্চয়তার ছাপ।ছোট পুত্র আশরাফ আর দুই কন্যা স্বপ্না ও আমেনা মুখ মলিন করে বসে আছে প্রিয় বাবার খোজেঁ।প্রতিবেদক সাংবাদিক পরিচয় দিলেই কামালের স্ত্রী আহাজারি করে উঠে বলেন আমার স্বামীকে আপনারা খোঁজ করে দিন।তার সন্তানরাও মায়ের কান্না দেখে হাউমাউ করে কাদঁতে থাকে।তাদের আহাজারিতে আশে পাশের বাসা হতে অনেক মানুষ এসে তাদের শান্তনা জানায়।নিখোঁজ কামালের স্ত্রী বিলাপ করে বলেন আমি এই তিন সন্তান নিয়ে কোথায় যাব,কিভাবে থাকব, কে নিবে এদের লেখাপড়ার দায়িত্ব।আমরা গরীব মানুষ কিভাবে চলব ওর বাবাকে ছাড়া।তার এমন হৃদয় হন্তারক আর্তনাদ আর আহাজারি উপস্থিত সকলের দু নয়নকে অশ্রুসিক্ত করে।নিখোঁজ কামাল পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। তিনিই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।তার সামান্য আয় দিয়েই চলছিল সংসারের ভরনপোষন দুই কন্যা স্বপ্না, আমেনা আর এক পুত্র আশরাফের লেখাপড়ার খরচ। দুই কন্যা ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেনীতে আর পুত্র ৩য় শ্রেনীতে একটি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত।
নিখোঁজ কামালের সন্ধানে মোহাম্মদপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে, জিডি নং-১২৪১। জিডির সুত্রে জানা যায় ১৩ই নভেম্বর সকাল ছয় ঘটিকার সময় তিনি বাসা হতে বের হয়ে আর ফিরে আসেন নি।তার উচ্চতা পাচঁ ফুট ছয় ইঞ্চি,গায়ের রং শ্যামলা,
মুখমন্ডল গোলাকার, স্বাস্থ্য স্বাভাবিক,মুখে হালকা দাড়ি কাচা আছে।পরনে হাল্কা চেক লুঙ্গি ও গায়ে খয়েরী হাফ হাতা গেঞ্জি ছিল। তাকে খুজেঁ পেতে তার স্ত্রী সন্তানরা প্রশাসন ও দেশবাসীর সহায়তা কামনা করেছেন।কেউ তার সন্ধান  পেয়ে থাকলে নিম্মোক্ত নাম্বারে যোগাযোগের করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে  ০১৯৫০৮২২৬৫১।

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« নভেম্বর    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।