কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ঠ চরফ্যাসন পৌরবাসি

অাকতারুজ্জামান সুজন, আমাদের ভোলা.কম।

ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার পৌর শহরের অলিগলিতে দিন দিন বেড়েই চলছে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা। দিনরাত এসব কুকুরের উৎপাতে বাসিন্দারা অতিষ্ঠ ও আতঙ্কিত। সন্ধ্যা হলেই কুকুরের আনাগোনা বেড়ে যায়, তাই কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়াও দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহিলা ও বাচ্চারা আতঙ্কে ভুগছে সবচেয়ে বেশি। দিনের বেলায় এসব কুকুর মানুষের পিছু নেয়, কামড়ে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং রাতের নির্ঝনতায় ঘেউঘেউ করে উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার করতে থাকে। কুকুরগুলোর চিৎকার-চেঁচামেচির কারণে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায়ও ব্যাঘাত ঘটে। রাতের বেলা বাইরে বের হলেই কুকুরের দেখা মেলে। উল্লেখ্য, গত (১৯ জুন) বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী, পুরুষ এবং শিশুসহ কমপক্ষে ৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছিল। এখন জনমনে প্রশ্ন জেগেছে এ থেকে পরিত্রাণ কবে পাবো? রাতের বেলায় কুকুরের ভয়ে বাসার বাইরে যেতে সাহস পায় না বাসিন্দারা। কিন্তু এসব কুকুর নিধনে পৌরসভার তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। তাই পৌর নাগরিকদের মাঝে দলবদ্ধ কুকুর দেখলেই আতংক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা বলেন, ‘সাধারণত ভাদ্র-আশ্বিনে কুকুরের প্রজনন কাল আর এসময় কুকুরের দলবেধে চলাফেরা ও ডাক চিৎকার করাটাই স্বাভাবিক, এতে ভয়ের কারণ নেই। পৌর মেয়র বাদল কৃঞ্চ দেবনাথ বলেন ‘ইদানীং বেওয়ারিশ কুকুরে সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) (সংশধিত) আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী বন্যপ্রাণী হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ তাই সরকারি কার্যবিধি অনুযায়ী এ আদেশ পালনে এবং পরবর্তী করণীয় আদেশ না আসা পর্যন্ত আমাদের কিছুই করার নেই। চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শোভন কুমার বসাক জানান, এসব কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগের সম্ভাবনা থাকে।জেলা সদর হাসপাতালে ভেকসিন সরবরাহ আছে কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরবরাহ না থাকায় আমরা দিতে পারছি না। আমরা জেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে ভেকসিন নেওয়ার জন্য আক্রান্ত রোগী এবং তাদের স্বজনদের পরামর্শ দিচ্ছি।

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুলাই    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।