পুলিশের ডিসিদের ২-৩ ঘণ্টা থানায় থাকার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক , আমাদের ভোলা.কম।

মানুষের হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়াতে সপ্তাহে দুই থেকে তিন ঘণ্টা ডিএমপির উপকমিশনারদের (ডিসি) থানায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ঢাকার সব অপরাধ বিভাগের ডিসিদের এই সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠান।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট উপকমিশনার (ডিসি) তার আওতাভুক্ত প্রত্যেক থানায় প্রতি সপ্তাহে অবস্থানের জন্য পরিকল্পনা করবেন। সে অনুযায়ী থানায় কমপক্ষে দুই থেকে তিন ঘণ্টা অবস্থান করে থানার বাস্তব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে সরাসরি আইন অনুযায়ী সমস্যার সমাধানের ব্যবস্থা করবেন।’

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ বা যেকোনো ধরনের তথ্য সঠিকভাবে আমলে নিয়ে যথাযথ পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিসহ সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিএমপির ৩৪তম কমিশনার হিসেবে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন শফিকুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের দুই দিন পর সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেন পুলিশি ভীতি না থাকে, সে ব্যাপারে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। ডিএমপির অধীনস্থ কোনো থানায় যদি জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা ও ভালো আচরণ না পায়, সেজন্য প্রয়োজনে সিনিয়র অফিসারদের থানায় বসানোর কথা জানান তিনি। নতুন কমিশনারের এমন ঘোষণার দুই দিন সেবার মান বাড়াতে ডিএমপির ডিসিদের থানায় অবস্থান করতে চিঠি পাঠান শফিকুল ইসলাম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রায়ই অভিযোগ পাওয়া যায় নিরীহ অসহায় জনসাধারণের একটা বিরাট অংশ থানায় তার প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমলযোগ্য অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ আমলে না নেওয়া, অনাকাঙ্ক্ষিত কালক্ষেপণ করা হয়। ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণসহ অনেক সময় অযথা হয়রানিমূলক আচরণের মাধ্যমে তাদেরকে প্রাপ্য আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগও পাওয়া যায়। তাই থানায় সেবার মান বৃদ্ধি ও সেবা প্রত্যাশীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন সে ব্যাপারে ওসিরা কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। পাশপাশি জোনাল এসি ও এডিসিরা সার্বক্ষণিক থানার কার্যক্রম মনিটরিং করবেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ডিসিরা তার আওতাভুক্ত প্রতিটি থানায় প্রতি সপ্তাহে অবস্থানের জন্য পরিকল্পনা করবেন। সে অনুযায়ী থানায় কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টা অবস্থান করে থানার বাস্তব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে সরাসরি আইন অনুযায়ী সমস্যার সমাধানের ব্যবস্থা করবেন।

একাধিক উপ-কমিশনার (ডিসি) ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে  জানিয়েছেন, ‘ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা মেনে তারা থানাগুলোতে সময় দিবেন। সাধারণ মানুষ যাতে পুলিশের সুফল পায় এজন্য থানার কার্যক্রম মনিটরিং করবেন।’

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এই ধরণের কাজ আগেও করা হতো। কমিশনার স্যারের নির্দেশে অফিসাররা এখন আরও ভালোভাবে কাজ করবে।’

সূত্র – ঢাকা টাইমস

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

জুন ২০২০
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« মে  
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০ 

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।