চরফ্যাশনে সাংবাদিক পেটানোর হুমকি দুই ইউপি চেয়ারম্যানের

চরফ্যাশন প্রতিনিধি: আমাদের ভোলা.কম।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল চুরির সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ওই উপজেলার নুরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও আহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাংবাদিকদের পেটানোর হুমকি দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ হল রুমে আইনশৃঙ্খলা মিটিং শেষে উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের বৈঠকে এ হুমকি প্রদান করেন তারা। ওই বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

জানা যায়, নুরাবাদ ও আহাম্মদপুর দুই ইউপিতে জেলেদের ভিজিএফ চাল বিতরণে  অনিয়ম ও চাল চুরির অভিযোগ উঠে। চাল চুরির অভিযোগে গত ১ মে রাতে নুরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানের কর্মী মিজানকে পাঁচ  বস্তা চালসহ ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আটক করে এক মাসের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।  অপরদিকে আহাম্মদপুর ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেনকে ৭ মে রাতে পাঁচ বস্তা ভিজিএফ চালসহ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।  এ বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত সংবাদের  জের ধরে ওই দুই চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের হুমকি দেন । এই ঘটনায় চরফ্যাশনে কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকগণ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এব্যাপারে নুরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের পেটানোর হুমকির কথা অস্বীকার করে বলেন, ইউনিয়নে কোনো ঘটনা ঘটলেই কিছু সাংবাদিক চেয়ারম্যানদের জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। ওই সকল সাংবাদিকদের ভাষাগত সমস্যার কারনে চেয়ারম্যানরা সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হয়। আমরা মূলত এ বিষয়টি আমাদের চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সম্পাদকের নিকট অভিযোগ করেছি।
চরফ্যাশন উপজেলার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম মহাজন বলেন, কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী চেয়ারম্যানদের সাথে অসৌজন্যমূলক ভাষা ও চেয়ারম্যানদের সম্মানহানি করে। মূলত এ বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আমাদের জানিয়েছে। চেয়ারম্যানরা কোনো সাংবাদিককে পেটানোর হুমকি দেয়নি বলেও জানান তিনি।

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

জুন ২০২৪
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।