অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে মনপুরার জনপদ

জাফর ইকবাল , আমাদের ভোলা.কম।

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা উপজেলাসদর হাজিরহাট বাজার থেকে উত্তর পাশের আঃ লতিফ ভূইয়া বাড়ী সংলগ্ন সংযোগসড়কটি যে কোন মুহুর্তে নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মেঘনারঅব্যাহত ভাঙনে সংযোগ সড়কটি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে। গত বর্ষামৌসুমে মেঘনার তীব্রতায় ঢেউয়ের আঘাতে সংযোগ সড়কটির নিচ থেকে মাটিসড়ে গিয়েছে। সংযোগ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হলে বন্ধ হয়ে যাবে ২টি গ্রামের যোগাযোগব্যাবস্থা। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়বে হাজির হাটইউনিয়নের সোনারচর ও চরযতিন গ্রামের ১০ সহ¯্রাধিক মানুষ। সংযোগসড়কটি থেকে বর্তমানে মেঘনার দুরত্ব রয়েছে ২০মিটার।

সংযোগ সড়কটি ভেঙে গেলে মেঘনার জোয়ারের পানি প্রবেশ করে পানিবন্ধি হয়েপড়বে ২টি গ্রামের মানুষ। হুমকির মুখে পড়বে সোনারচর সরকারী প্রাথমিকবিদ্যালয়সহ মসজিদ মন্দির। চরম দুর্ভোগে পড়বে কোমলমতি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।প্রতিদিন চরযতিন ও সোনারচর গ্রাম থেকে শতাধিক স্কুল কলেজ, মাদ্রাসারশিক্ষার্থীরা এই সড়ক দিয়ে স্কুলে আসা-যাওয়া করে। সংযোগ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হলেস্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে এইসব শিক্ষার্থীদের। প্রতিদিন শতশত মানুষকেভোগান্তিতে পড়তে হবে।

এছাড়াও তীব্র ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে হাজিরহাট ইউনিয়নের নাইবেরহাটচৌধুরী বাজার পুর্বপাশের বেড়ীবাধ, সোনারচরের রাস্তার মাথা, দাসেরহাট, উত্তরসাকুচিয়া ইউনিয়নের কোরেজডেম, মাষ্টারহাট, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নেররহমানপুর গ্রাম ও পুর্ব ও দক্ষিণপাশের বেড়ীবাঁধ।

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম বলেন,সরজমিনে গিয়ে ভাঙন কবলিত এলাকার চিত্র তুলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টিঅবহিত করা হবে। এই মুহুর্তে ডাম্পিং বা পাইলিং করার কোন ব্যাবস্থা নেই।ভাঙন এলাকায় নদীভাঙন রোধ প্রকল্প তৈয়রীর জন্য চেষ্টা করা হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও আ’লীগের সভাপতি সেলিনা আকতার চৌধূরী বলেন,ভাঙন কবলিত এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিরসভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপির চেষ্টায় নদী তীর সংরক্ষণপ্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। মনপুরা নদী ভাঙন রোধ প্রকল্পের কাজ চলছে। তীব্রভাঙন এলাকায় স্পট নির্ধারণ করে আমরা দ্রুত প্রকল্প তৈয়রীর জন্য চেষ্টা করব।পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীর সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণকরব।

ভাঙন কবলিত এলাকায় ভাঙন রোধে দ্রুত কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ করা না হলে চরমদুর্ভোগে পড়বে ভাঙন কবলিত এলাকার হাজারো মানুষ। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেকার্যকরী ব্যাবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানিয়েছেন এসব এলাকার বসবাসকারীসাধারণ মানুষ।

এফএইচ

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৯
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুলাই    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।