বিএনপির রাজনীতী এখন দেউলিয়া – তোফায়েল আহমেদ

কাজী মহিবুল্লাহ আযাদ, আমাদের ভোলা.কম।

সাবেক শিল্প , বানিজ্য মন্ত্রী ভোলা (সদর) এক আসনের সংসদ সদস্য ভোলার ২০ লক্ষ লোকের অভিভাবক তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেন, রাজনৈতিক ভাবে বলতে গেলে, বিএনপি রাজনিতী এখন দেউলিয়া হয়ে গেছে। একটা দলের প্রধান দূর্নিতির মামলায় জেলে আর একজন ভারপ্রাপ্ত হয়ে তিনি দেশে নেই দেশের বাহিরে পলাতক আছে। সেই যদি নেতা হয় এই দলের অস্থিত থাকে। আজ বিএনপি অস্থিত সংকটে পরেছে। কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। ওদের নেত্রী জেলে কিন্তু ওরা কিছুই করতে পারে না। না পাড়ে কোটে না পাড়ে মাঠে। ৬৯ এর মহানায়ক তোফায়েল বলেন, আমরা করেছি আমি ও তো ৭ বার জেলে গেছি। আমি বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ৩৩ মাস জেলে আমাকে গ্রেপ্তার করে হাত চোখ বেধে অত্যাচার করেছে আমি মাথা নত করি না। তার পর ময়মনসিং জেলে ২০ মাস, কুস্টিয়া জেলে ১৩ মাস জেলে খেটে মুক্তি পেয়েছি। আবার ৮২ সনে আমাকে গ্রেপ্তার করে প্রথমে ক্যান্টনমেন্ট এ তার পর কেন্দ্রীয় কারাগারে আমাকে ফাসির আসামির মত রাখল। তার পর আবার সিলেটে কনসাল্টেশন বারে আমাকে ফাসির মত আশামির মত রাখা হয়েছ। ময়মনসিংহ জেলে ও আমি তিন মাস সূর্যের আলো দেখতে পাড়ি নাই। তার পরে ৮৪ সনে আমাকে আবার গ্রেপ্তার করে কুমিল্লা কারাগারে আবার ৮৬ সনে এই ভোলায় ১ ঘন্টার মধ্যে আমাকে বরিশাল কারাগারে একক ভাবে একটা কক্ষে আমাকে বন্ধি করে রেখেছে। তার পরে খালেদা জিয়া ৯৬ সনে ভুয়া একটা নির্বাচন করে কিছু দিন ক্ষমতায় ছিল তখন বিএনপি ক্ষামতায় থাকা কালে আমাকে গ্রেপ্তার রাজশাহি কারাগারে পাঠিছে। আবার ২০০২ সনে আমি বিদেশ থেকে বাংলাদেশ আসলে বিমান বন্ধর থেকে আমাকে গ্রেপ্তার করে কাশিম পুর কারাগারে তার পর কুস্টিয়া কারাগারে পাঠিছে। কই তখন তো আমরা মাথা নত করিনী। জিয়ায়ুর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জরিত ছিল। জিয়ায়ুর রহমানের স্ত্রী খুনি ও যুদ্ধ অপরাধীকে মন্ত্রী করেছে আর আমার হাতে হাত কড়া লাগিয়েছে। বিএনপি অনেক মার কোল থেকে তার সন্তানকে ছাড়া করেছে। ২০০১ সনে লাল মোহনে লর্ড হার্ডেজে আমার মেয়ের মত তাকে পুকুরের ভিতর থেকে তুলে এনে সবার সামনে ধর্ষন করে তাকে হত্যা করেছে এবং গজারিয়ায় মালেকের দুইটা চোখ তুলে নিয়ে গেছে মেজর গাফিজ। এই জন্য ই আজ বিএনপির অতঃপতন। তিনি বলেন এমন দিন আসবে বিএনপি নামে যে একটি দল বাংলাদেশে ছিল তা ও বাংলার জনগন তাদের অপকর্মের কারনে দলটির নাম ভুলে যাবে।

তোফায়েল আহমেদ এমপি আরো বলেন, দ্বীপ জেলা ভোলা খুব সুন্দর এই দ্বীপ জেলা ভোলা এক সময় আরো সুন্দর হবে। সাবেক মন্ত্রী ভোলা সদর আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদ বলেন আমি কাচিয়াকে নদী ভাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা করেছি। আর তার সব অবদান হলো কাচিয়ার চেয়ারমম্যান নকিবের। নকিব সব সময় কাচিয়া নদী ভাঙ্গার থেকে রক্ষার জন্য আমার কাছে আসতো তাই কাচিয়াকে নদী বাঙ্গন থেকে রক্ষার। জন্য ৫৮০ কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি। তিনি আমাদের স্বাধীন করেছেন। আর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা আজকে বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত করেছে। ভোলা খুব সুন্দর ভোলা আরো সুন্দর হবে। ভোলায় প্রাকৃতিক সম্পদে ভর পুর আছে। ভোলায় অনেক পর্যাপ্ত পরিমানে গ্যাস মজুত আছে। এখনো পুরা পুরি খনন করতে পারি নাই। সব কুপ খনন হয় নাই। এমন দিন ও আসবে আমরা তৈল ও পেতে পারি ইনশাল্লাহ। একটা জেলাকে উন্নত জেলা করতে হলে গ্যাস বিদ্যুৎ লাগে আমাদের সব আছে। বিদ্যুৎ আমরা উদ্ধৃত আমাদের ভোলার বিদ্যুৎ গ্রিটে অন্যান্য জেলায় যায়। এখন পর্যান্ত প্রথমে একটি কোম্পানি ৭০ মেঘাওয়াট তার পর ইসলামি ডেলপলমেন্ট ব্যাংক সহযোগিতায় ২২৫ মেঘাওয়াট এবং ভারতের একটি কোম্পানি ২২৫ মেঘাওয়াট, আর আশুগঞ্চ থেকে ১০০ মেঘাওয়াট ভোলায় আসছে। অন্যে দুইটি কোম্পানি ১২০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। ভোলায় শিল্প করতে লাগবে গ্যাস, লাগবে বিদ্যুৎ আমাদের দুইটায় আছে। আপনিরা জানেন ভোলার বাপ্তা – পশ্চিম ইলিশার মাঝা মাঝি একটি সিরামিক ফ্যাক্টরি হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা ব্যায়ে আমরা এ রকম আরো বড় বড় ভোলায় স্থাপাশালি ইন্ডাজট্রি ইকোনোমিক জোন করার ব্যাবস্থা নিয়েছি। ভেলুমিয়া ভেদুরিয়ায় পর্যটন কেন্দ্র হবে। ধনিয়া তুলা তুলি মেঘনার পাশে নদী পাড়ে পর্যটন কেন্দ্র হবে। আর ভোলা বরিশাল ব্রিজ হলে আজকে যে ভোলা একটি বিছিন্ন দ্বীপ এটা কেউ বলতে পারবে না। কারন আমরা মুল ভুখন্ডের সাথে যুক্ত হব। এবং ব্রিজের পাশে অনেক পর্যটন কেন্দ্র হবে। আপনাদের এইটুকু বলতে চাই ভোলা শুধু বাংলাদেশের মধ্যেই শ্রেষ্ট জেলা হবে না। ভোলা হবে বাংলাদেশের মধ্যে অন্যাতম জেলা। ৬৯ এর মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল বলেন, আমি যদি বেচে থাকি এই ভোলাকে সিংগাপুরের আদলে করার চেস্টা করবো। একটা জেলাকে উন্নত করতে হলে ডা যা দরকার সবই ভোলায় আছে। তিনি বলেন আমরা খাদ্যে স্বংস্পূর্ন। আমাদের ধান চাউল ভোলার বাহিরে যায়। আমাদের গ্যাস চাহিদার চেয়ে বেশি আছে। আমাদের মাছ বাংলাদেশের ৪র্থ। আমার মনে হয় বাংলাদেশের মধ্যে ই ভোলার মাছই বেশি। মন্ত্রী আরো বলেন, কি সুন্দর গাছ আমি যখন হ্যালিকাপ্টারে আসি ৎখন দেখি একটা গাছ আর একটা গাছের সাথে এখানে ছায়ার মত আছে। তিনি বলেন, নদী ভাঙ্গার অবশিষ্ট কাজ সেই তজুমুদ্দিন বোরহানউদ্দিন,দৌলত কা, ভোলা সদরের জন্য ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছে। ইতিমধ্য দেখার জন্য উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ভোলায় আসবেন। নদী ভাঙ্গা যদি বন্ধ হয় ভোলা বরিশাল ব্রিজ হয় আর গ্যাস ভিত্তিক যদি শিল্প হয় তাহলে আমার ভোলার ছেলেরা চাকরির জন্য ভোলার বাহিরে যাওয়া লাগবে না। আমি বাংলাবাজারে আমার মায়ের নামে বাংলাবাজারে ফাতেমা খানম কমপ্লেক্স, গার্লস হাই স্কুল, ডিগ্রি কলেজ,মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র, শিশু পরিবার (এতিম খানা), জামে মসজিদ, বৃদ্ধাশ্রম এবং বাবা – মায়ের নামে আজাহার ফাতেমা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং যা কিছু আমি বাংলাবাজার করেছি তার মধ্যে বাংলাবাজারে সব চেয়ে বড় স্বাধীনতা যাদুঘর। এই বাংলাবাজার যাদুঘরে আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস আমাদের তরুন প্রজন্ম জানতে পারবে। এখানে বিট্রিশ বিরোধি আনন্দল, বঙ্গবঙ্গ, ভাষা আনন্দলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬ দফা, ৬৯ এর গন অভ্যুথান,৭১ মুক্তি যুদ্ধ এবং জাতির পিতার সাথে আমি যে দেশ – বিদেশ ভ্রমন করেছি তার স্মৃতি জরিত অনেক ছবি আছে। সকাল ১১ টার সময় তৃনমুল আঃলীগের মত বিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত অনুষ্টানের সভাপতিত্ব করেন ভোলা সদর উপজেলা আঃলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন। তৃনমুল আঃলীগের মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আঃলীগ সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, জেলা আঃলীগের যুগ্ন সাধারন জহুরুল ইসলাম নকিব, উপজেলা আঃলীগের সাধারন সম্পাদক নজুরুল ইসলাম গোলাদার, জেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ। এসম আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আঃলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এনামুল হক আরজু, জেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ, উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, বাপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান ও কাচিয়া ইউনিয়নের সভাপতি সাধারন সম্পাদক বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« আগষ্ট  
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

সর্বমোট ভিজিটর

counter
এই সাইটের কোন লেখা অনুমতি ছাড়া কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।